বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘রোগীর কিডনির অবস্থা বেশ খারাপ ছিল। তার সপ্তাহে তিন দিন ডায়ালায়সিস করা লাগতো।’
রোগীর প্রসঙ্গে ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, চাঁদপুরের ছেলে বিন সালাউদ্দিন ১২ বছর আগে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে রোজ লায়লাকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের পর দেখা গেলো, লায়লার দুটি কিডনিই নষ্ট। তখন তারা মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা নেন। সিদ্ধান্ত হয় কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের। কিন্তু তারা সিরিয়াল পেলেন তিন বছর পরের। এ অবস্থায় বিন সালাউদ্দিনের বন্ধু বিএসএমএমইউর ফটোগ্রাফার সোহেল গাজী তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে সব কাগজপত্র নিয়ে আসার পর জানান, এই ট্রান্সপ্লান্ট এখানে সম্ভব। ডোনার ছিলেন লায়লার বড় বোন।
ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, ‘চিকিৎসক শহীদুল ইসলাম সেলিমের অধীনে ভর্তি ছিলেন লায়লা। অপারেশন এত ভালো হয়েছে যে চার দিনের মাথায় রোগীর ক্রিটেনিন নর্মালে চলে আসে। কোনও ঝামেলা ছাড়াই রোগী তিন সপ্তাহের মধ্যে পুরো সুস্থ হয়ে যান। বৃহস্পতিবর রোগীকে ডিসচার্জ করে দেওয়া হয়েছে। রাত ১২টার ফ্লাইটে তারা মালয়েশিয়া ফিরে যাবেন।’ তিনি জানান, সব মিলিয়ে রোগীর লাখ পাঁচেক টাকা খরচ হয়েছে।
এই অপারেশন পর্বে বিভিন্ন পর্যায়ে যুক্ত ছিলেন বিএসএমএমইউ’র অধ্যাপক ও প্রোভিসি (অ্যাডমিন) অধ্যাপক ডা. মুহাম্মাদ রফিকুল আলম, চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আছিয়া খানম, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, ইউরোলজি বিভাগের ট্রান্সপ্লান্ট ইউনিটের অধ্যাপক হাবিবুর রহমান দুলাল ও ডা. তৌহিদ দীপুসহ অন্য চিকিৎসকেরা।