বইমেলার শিশু প্রহরে উপচেপড়া ভিড়, উচ্ছ্বাস

শিশু চত্বরে শিশুদের ভিড়অমর একুশে গ্রন্থমেলার শিশু প্রহরের আজ (শুক্রবার, ৮ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনেও শিশুদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। বাবা-মায়ের হাত ধরে সকাল ১০টা থেকে শিশু চত্বরে ভিড় করতে শুরু করে তারা। শিশুদের উপযোগী করে সাজানো হয়েছে এবারের শিশু চত্বর। তাদের প্রবেশের জন্য করা হয়েছে আলাদা গেট। বই কিনতে স্টলে স্টলে ঘুরে বেড়ানো, আর ইকরি-হালুমদের সরাসরি দেখতে পাওয়ায় উচ্ছ্বাস লক্ষ করা গেছে শিশুদের মাঝে।

স্টলে বই কিনছে শিশুরাসরেজমিনে দেখা যায়, শিশুদের জন্য সাজানো হয়েছে সিসিমপুর চত্বর। যেখানে কিছুক্ষণ পর পর শিশুদের জন্য সিসিমপুরের শো দেখানো হচ্ছে। ইকরি আর হালুমদের সরাসরি দেখতে পাওয়ায় বেশ উত্তেজনা লক্ষ করা যায় শিশুদের মাঝে। বিভিন্ন কার্টুন ও পাপেট দিয়ে সাজানো আছে শিশু চত্বর।

শিশু চত্বরে শিশুরারাজধানীর মিরপুর থেকে বাণিজ্যমেলার জ্যাম ঠেলে বইমেলায় এসেছে ক্লাস টু এর ছাত্র নাহিয়ান। বই কেনার সময় স্টলে কথা হয় নাহিয়ানের সঙ্গে। সে বলে, ‘বই মেলার জন্য অপেক্ষা করে থাকি। গতবার আমি প্রথম বই মেলায় এসেছিলাম। বাবা-মা বলেছে, প্রতিটি শিশু প্রহরে আমাকে বই মেলায় নিয়ে আসবেন।’

শিশুদের বইমেলায় আসা অপর শিশু রাফিন। তার বাবা বলেন, ‘সকাল থেকে একঘণ্টা হয়ে গেল ঘুরছি। এখানে অপরিচিত শিশুদের সঙ্গে রাফিনের বন্ধুত্ব হয়ে গেছে।’

বইয়ের পাতা উল্টে দেখছে এক শিশুছোটদের বইয়ের স্টলগুলোতে শিশুদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। ঝিঙেফুল প্রকাশনার রিফাত খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শিশুদের জন্য এবার শিশু চত্বরে আলাদা গেট করাই সুবিধা হয়েছে। শিশুরা তাদের নিজেদের জায়গাটা চিনতে পারছে। শিশু-কিশোরদের জন্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে হাজির হয়েছে ঝিঙেফুল। শিশুরা আসছে, বই দেখছে ও কিনছে। পাঠক হিসেবে তাদের তৈরি হওয়ার এখই সময়।’

উল্লেখ্য, প্রতি শুক্রবার ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত শিশু প্রহর ঘোষণা করে মেলা কর্তৃপক্ষ।