অধ্যাপক আবু সাইয়িদের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলার প্রতিবেদন ১ এপ্রিল

অধ্যাপক আবু সাইয়িদ

অধ্যাপক না হয়েও নিজের নামের আগে ‘অধ্যাপক’ শব্দটি ব্যবহার করেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। এ কারণে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর ছেলে ড. এসএম নাফিস শামস। সেই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আগামী ১ এপ্রিল দিন ধার্য করছেন আদালত।

সোমবার (৪ মার্চ ) মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল  মামুন ভূঁইয়া প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুনন তারিখ ধার্য করেন।

গত ১০ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক তোফাজ্জল হোসেনের আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এরপর বিচারক শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে  তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ কোনও কলেজে কখনও অধ্যাপনা করেছেন বলে সমাজের মানুষের জানা নেই। তবে আসামি খণ্ডকালীন প্রভাষক হিসেবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অল্প সময়ের জন্য কর্মরত ছিলেন। আসামি অধ্যাপক না হয়েও বিভিন্ন জায়গায়, বইয়ে  এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের হলফনামায় অধ্যাপক পদবি ব্যবহার করেন। তিনি সমাজের মানুষের কাছে নিজেকে অধ্যাপক পরিচয়ে প্রচার করে ভোট পাওয়ার পাঁয়তারাসহ জনগণকে বিভ্রান্ত করে আসছেন।

বাদী অভিযোগ— নিয়মিত ১৫ বছর কোনও কলেজে অধ্যাপনা না করলে অধ্যাপক হওয়া যায় না। আসামি বর্তমানে গণফোরামের নেতা এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে ধানের শীষে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হয়েছেন। এমপি পদে নির্বাচন করতে হলে তিন বছর পূর্বে চাকরি ছেড়ে দিতে হয়, তাহলে প্রার্থী হওয়া যায়। আসামি বিভিন্ন বই লিখেছেন। কিন্তু কোনও বইয়ে কোন কলেজে তিনি অধ্যাপনা করেছেন, এমন কোনও টাইটেল লেখকের পরিচয় হিসেবে লেখা নাই।

আসামি অধ্যাপক না হয়েও অধ্যাপকের পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছেন এবং ভুল তথ্য প্রচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। এর মধ্যদিয়ে আসামি বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ৪১৯/৪২০ ধারায় অপরাধ করেছেন।