দুর্নীতি প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন। পাশাপাশি দুর্নীতির জাল যাতে বিস্তার লাভ করতে না পারে সেদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের কঠোর তদারকি থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম। সোমবার (৪ মার্চ) সিলেটের কাজী নজরুল ইসলাম অডিটরিয়ামে এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন দুদক কমিশনার।
সিলেট মহানগর, জেলা ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির শ্রেষ্ঠ সদস্যদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
এসময় এএফএম আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, আমরা বিশ্বায়নের যুগে বাস করছি। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ দুর্নীতি প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখছে। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির ধারা আরও বিকশিত করতে দুর্নীতি প্রতিরোধের বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে দুর্নীতি সংঘটিত হয়। সেবাখাতের দুর্নীতি প্রতিরোধে সেবাগ্রহীতা ও সেবাদাতা উভয়েরই সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
দুদক কমিশনার বলেন, সেবাখাতে দীর্ঘসূত্রতা, অনিয়ম চলতে পারে না। সেবাদাতাদের মনে রাখতে হবে , জনগণের করের টাকায় তাদের বেতন হয়। তাই সেবাগ্রহীতাদের ন্যূনতম অসম্মান করার অধিকার কারও নেই।
তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ ও প্রতিকারের দায়িত্ব আইনগতভাবে পালন করছে দুদক।
এএফএম আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, দুর্নীতি করে কেউ ছাড় পাবে না। সরকারি অফিস দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা চলছে।
দুর্নীতিপরায়ণদের সতর্ক করে দুদক কমিশনার বলেন, সম্পদ লুকিয়ে রাখতে পারবেন না। দুদক তা খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার তাহমিদুল ইসলাম।