মোটরসাইকেল ছিনতাই চক্রের তিন সদস্য আটক

আটক তিন জনগাজীপুরের টঙ্গী এলাকা থেকে মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১)। বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার ঝিনুক মার্কেট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

তারা হলো, মাহিদুল ইসলাম ওরফে মাহি (১৯),আশিক মিয়া (২২) ও সাদেক মিয়া (১৮)। তাদের কাছ থেকে একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, টঙ্গী এলাকায় মোটরসাইকেল ছিনতাইকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে। তারা টঙ্গী ও পাশের এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মোটরসাইকেল, মোবাইলফোন, টাকা-পয়সা ছিনতাই করে আসছে। গত ২ মার্চ বিকাল ৪টার দিকে এই চক্রের ফাঁদে পড়ে সামাদ নামের এক ভুক্তভোগী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব-১ এর একটি টিম ছায়া তদন্ত করে। অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাই চক্রের তিন সদস্যকে আটক করা হয়।

কর্নেল সারওয়ার জানান, আটক আসামি মাহিদুল ইসলাম ওরফে মাহি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, তার বাবা জাবের অ্যান্ড জুবায়ের গার্মেন্টসে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি করে। সে ২০১৬ সালে উত্তরা ইউনাইটেড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে। পরে নোমান ওয়ান গার্মেন্টসে চাকরি নেয়। তার বন্ধু পলাতক আসামি সোহেল ওরফে বোমা সোহেল এই চক্রের মূলহোতা। সোহেলের মাধ্যমে সে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আশিক মিয়া জানায়, ২০০৯ সালে কাজের সন্ধানে  সে ঢাকায় আসে। ঢাকার সাভারে পিকিউএস প্রিন্টিংয়ে কাজ শুরু করে। এরপর ২০১৬ সালে টঙ্গী ঝিনুক মার্কেট এলাকার জাবের অ্যান্ড জুবায়ের গার্মেন্টসে হেলপার হিসেবে যোগ দেয়। টঙ্গী থাকাকালীন তার সঙ্গে মাহিদুলের পরিচয় হয়। মাহিদুল তাকে ছিনতাই কাজে যুক্ত হতে প্রস্তাব দেয়। আশিক টাকার লোভে মাহিদুলের প্রস্তাবে রাজি হয়ে। চক্রের সদস্যদের মধ্যে তার কাজ ছিল ভুক্তভোগীকে মারধর করা।

সাদেক মিয়া জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, ছিনতাই করা মোটরসাইকেল চালিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে রেখে দেওয়া ছিল তার কাজ।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান কর্নেল সারওয়ার।