তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের অমূল্য দলিল হিসেবে আজ স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতিসংঘের এই সংস্থাটি বঙ্গবন্ধুকে প্রকৃতভাবে মূল্যায়ন করেছেন। বিশ্বের নির্যাতিত-নিপীড়িত এবং অধিকারবঞ্চিত মানুষের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি আজীবন বাঙালির মুক্তি ও স্বাধীনতার কথা ভেবেছিলেন এবং বাঙালি যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হতে পারে এবং উন্নত-সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়াতে পারে, বঙ্গবন্ধু সেই দর্শনেই বিশ্বাসী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংগঠন ইউনেস্কোকে অভিনন্দন। মানবজাতির সভ্যতার উন্নতি ও আধুনিক ক্রমবিকাশের ধারায় যাদের অবদান রয়েছে সেই সকল মহৎ ব্যক্তিদের ইউনেস্কো তাদের কর্মের স্বীকৃতি দিয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. এস এ মালেক বলেন, ‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও কঠিন। রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে যায় যদি সত্যিকারভাবে জনগণের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ না হয়। সেই লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। দুর্ভাগ্য জাতির- যার জন্ম না হলে আমরা স্বাধীনতা পেতাম না, সেই জাতির জনক এ দেশের কিছু কুলাঙ্গার ও আর্ন্তজাতিক চক্রান্তকারীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন। এরপর থেকে অন্ধকারের পথে পথচলা। জাতির জীবনে নেমে আসে দুঃখ-বেদনা আর হতাশা। আশার কথা, বঙ্গবন্ধুর কন্যা চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনায় দায়িত্ব পাওয়ায় আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে উন্নয়নের রোল মডেল। জাতির পিতার স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে।’
আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আলাউদ্দিন প্রমুখ।