স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরখাস্ত হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেনের দুর্নীতিতে সহযোগিতার অভিযোগে আরও চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এই চার ব্যক্তি হলেন— চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন এবং লাইন ডিরেক্টর, প্রি-সার্ভিস এডুকেশনের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রশিদ, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ আলম, সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শহিদুল হক ও এনাটমি বিভাগের প্রভাষক ডা. মো. আশরাফুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
উল্লেখ্য, একই অভিযোগে সোমবার (১ এপ্রিল) আরও ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। এ নিয়ে দু'দিনে ১০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলো। ৩ এপ্রিল আরও চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
৩ এপ্রিল যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তারা হলেন— কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ অধ্যাপক সুভাষ চন্দ্র সাহা, প্যাথলোজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মুহা. কামরুল হাসান, স্টোর কিপার মো. আবু জায়েদ ও হিসাবরক্ষক হুররমা আকতার খুকী।
প্রসঙ্গত, দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমে গত ১০ জানুয়ারি আবজালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এর আগে ৬ জানুয়ারি আবজাল ও তার স্ত্রী রুবিনা খানমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। দুদকের আবেদনের কারণে ২১ জানুয়ারি আবজাল ও রুবিনার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক এবং ব্যাংক হিসাবের লেনদেন জব্দ করার আদেশ দেন ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত। ১৮ মার্চ আবজাল ও তার স্ত্রী স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোক করে দুদক।
আবজাল ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ— নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, কাজ না করে বিল তুলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তারা।