বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ২৩ এপ্রিল

মিম ও সজিব

রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনে বাসচাপায় দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ২৩ এপ্রিল ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (৩ এপ্রিল) মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু, এদিন সাক্ষ্যগ্রহণ না হওয়ায় ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাপস কুমার পাল এসব তথ্য জানান।

মামলাটিতে এ পর্যন্ত ৩৬ জন সাক্ষীর জবানবন্দি শেষ হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলো, জাবালে নূরের মালিক মো. শাহাদাত হোসেন আকন্দ, চালক মাসুম বিল্লাহ, হেলপার মো. এনায়েত হোসেন, চালক মো. জোবায়ের সুমন, অপর বাস মালিক মো. জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার মো. আসাদ কাজী। এদের মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর আলম ও মো. আসাদ কাজী পলাতক। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০১৮ সালের ২৫ অক্টোবর এসব আসামির বিরুদ্ধে আদালত চার্জ গঠন করেন।

৬ সেপ্টেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কাজী শরীফুল ইসলাম এ মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তাতে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। চার্জশিটে ৪১ জনকে সাক্ষী এবং ছয় ধরনের আলামত জব্দ দেখানো হয়, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি বাস এবং তিনটি ড্রাইভিং লাইসেন্স।
২০১৮ সালের ২৯ জুলাই দুপুরে কালশী ফ্লাইওভার থেকে নামার মুখে এমইএস বাসস্ট্যান্ডে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ছিল। জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস ফ্লাইওভার থেকে নামার সময় মুখেই দাঁড়িয়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে আরেকটি দ্রুতগতির জাবালে নূরের বাস ওভারটেক করে সামনে আসতেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এতে পিষ্ট হয়ে দিয়া আক্তার মিম ও আব্দুল করিম সজিব নামে দুজন নিহত হন। আহত হন বেশ কয়েকজন। ওই ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিহত মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এই মামলা দায়ের করেন।