আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- মো. ফয়েজ উদ্দিন (৩২), মো. আলমগীর হোসেন (১৮), মো. বিল্লাল হোসেন (৩৮), মো. আব্দুল হালিম (৫২), মো. ফয়সাল আহমেদ (১৮) ও মো. আব্দুস সালাম (৫৫)।
বেলা ১১টায় র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এবং সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৪ এর অধিনায়ক চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির এসব তথ্য জানান।
তিনি জানান, অপহরণকারী চক্রের এক নারী সদস্য পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী রোগী সেজে ওই চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে তার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসকের সঙ্গে তিনি সখ্যতা গড়ে তোলেন। বুধবার ওই নারীর মাধ্যমে চিকিৎসককে অপহরণ করে টাঙ্গাইলের মধুপুর ভাওয়াল বনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে চক্রের সদস্যরা।
চৌধুরী মঞ্জুরুল কবির বলেন, চিকিৎসকের স্ত্রী ও শ্যালকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে অপহরণ চক্র বিকাশের মাধ্যমে কিছু টাকা নেয়। এরপর তাকে আটকে রেখে মুক্তিপণের জন্য সারারাত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোরে অভিযান চালিয়ে মোনায়েমুল বাশারকে উদ্ধার করে র্যাব সদস্যরা। এসময় ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়।
অপহরণ চক্রের সদস্যদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ওই চক্র গত দশ বছর ধরে বিভিন্ন পন্থায় মাঝারি ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও চাকরিজীবীদের টার্গেট করে অপহরণ করেছে। অপহরণকারীদের স্বজনদের কাছে চক্রটি পাঁচ লাখ বা দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করতো। এছাড়া ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনিংহ জেলার গুরুত্বপূর্ণ বাস স্টেশন থেকেও তারা যাত্রীদের জোর করে মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট কারে উঠিয়ে সর্বস্ব লুটে নিতো।