শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘দেশে শিক্ষা সংক্রান্ত অনেক আইন রয়েছে। এর কোনোটির সঙ্গে যেন শিক্ষা আইন সাংঘর্ষিক না হয়। কারণ, আইন করলাম, আর বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলো; তাহলে কার্যকর করা কঠিন হবে। সেই কারণে একজন পরামর্শকের সহায়তা নিয়ে সমস্ত আইনগুলোর সঙ্গে যাতে সাংঘর্ষিক না হয়, সেটি আমরা দেখছি। আমি আশা করছি, মন্ত্রণালয় থেকে পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছে দিতে পারবো এ বছরের শেষ নাগাদ।’
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যেই ইউনিসেফের একজন পরামর্শক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। দ্রুত সমন্বিত শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করতে ইউনিসেফের পরামর্শক কাজ করবে।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের পর ২০১১ সাল থেকে শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত করার কাজ শুরু করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ খসড়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠালে শিক্ষা আইনের খসড়া ঠিক করতে তিন দফা ফেরত পাঠানো হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে। শেষবার ২০১৮ সালে শিক্ষা সংক্রান্ত সব আইন সমন্বয় করতে পর্যবেক্ষণে দেয় মন্ত্রিসভা। সমন্বিত শিক্ষা আইনের খসড়া ঠিক করতে ১২টি পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়। মন্ত্রিসভার পর্যবেক্ষণ নিয়ে কাজ করছে আইনের খসড়া পরীক্ষায় গঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি। সব শেষে ইউনিসেফের একজন পরামর্শক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে শিক্ষানীতি করেছি, তার বাস্তবায়ন কিন্তু চলছে। কোনও একটা পরিবর্তন যদি করতে চাই, একটি পরীক্ষার যদি পরিবর্তন করতে চাই। চিন্তা করা থেকে বাস্তবায়নে যেতে লম্বা একটা সময় লাগে। উচ্চশিক্ষা কমিশনের কথা বলেছেন, শিক্ষানীতিতে শিক্ষা কমিশনের কথা রয়েছে। আমরা শিক্ষা কমিশনটি করতে চাই।’
আরও পড়ুন: সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা নিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি শিক্ষামন্ত্রীর আহ্বান