কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

আদালত

রাজধানীর তুরাগের নিশাতনগর এলাকার কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদ জাহানের বিরুদ্ধে দুই কোটি টাকার মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন একই প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষিকা শাম্মী আক্তার। সোমবার (২৯ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

বাদী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ফারজানা ইয়াসমিন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বাদী শাম্মী আক্তার ২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর ওই প্রতিষ্ঠানে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে সুনামের সঙ্গে পাঠদান করে আসছেন। সম্প্রতি প্রধান শিক্ষিকা বাদীর চাকরি এমপিওভুক্তির জন্য ৫ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রধান শিক্ষিকা বাদীকে বিভিন্ন হুমকি দেন।

তিনি অভিযোগে আরও বলেন, গত ১১ মার্চ আসামি প্রধান শিক্ষিকা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে একটি নোটিশ পাঠায় বাদীর ঠিকানায়। নোটিশে বলা হয়, গত ৯ মার্চ স্কুলে সমাবেশ চলার সময় মোবাইল ফোনে বাদী কথা বলেন, যা বন্ধ করতে বললে তিনি প্রধান শিক্ষিকার সঙ্গে সব শিক্ষকের সামনে বাজে আচরণ করেন। এছাড়া ক্লাসে পাঠদানের সময় ছাত্রদের জামাই বলে সম্বোধন করেন, যা দৃষ্টিকটু। এছাড়াও, বাদী বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত। বিভিন্ন ক্লাব ও হোটেলে যান, যার প্রমাণ তাদের কাছে আছে। বিভিন্ন মহল থেকে তারা এ তথ্য পেয়েছেন। নোটিশে উল্লেখিত মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য প্রকাশের কারণে বাদীর চরিত্র সম্পর্কে এলাকার লোকজন ও তার পরিবারের কাছে মর্যাদা চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়।