মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ছিটকে পড়ার ঘটনায় আহতদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তিন জনকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তারা সবাই সুস্থ হবেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১১ মে) হাসপাতালটির ডিউটি ম্যানেজার বলেন, ‘আমাদের হসপিটালের যারা আছেন (চিকিৎসক), উনারা আমাকে কিছু ধারণা দিয়েছেন। যে রোগীরা এখানে এসেছেন, তারা কিউরেবল কন্ডিশনে আছেন।’
সকালে হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, শুক্রবার রাত একটার সময় তাদের অ্যাপোলো হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
সেসময় ডিউটি ম্যানেজার বলেন, বাংলাদেশ বিমান থেকে যাত্রীদের প্রাইভেসির বিষয়টি গোপন রাখতে বলা হয়েছে। তাই আমরা তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারছি না।
অ্যাপোলো হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত একজন চিকিৎসক বলেন, ‘রাত একটার সময় তিন জন রোগীকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অর্থোপেডিক সমস্যা আছে। অর্থোপেডিক কনসালটেন্ট দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবেন। এই রোগীদের কারও কারও স্পাইনাল কর্ডে ফ্র্যাকচার আছে। কারো আপার লিম্ব, কারও লোয়ার লিম্বে ফ্র্যাকচার আছে।’
প্রসঙ্গত, বুধবার (৮ মে) ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বৈরী আবহাওয়ার কারণে রানওয়ে থেকে পড়ে বিমানের একটি ফ্লাইট। বিমানটিতে শিশুসহ ২৯ যাত্রী, দু’জন পাইলট, দু’জন কেবিন ক্রু ও দু’জন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। এ ঘটনায় আহত ১৯ যাত্রীকে ইয়াঙ্গুনের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বুধবার রাতেই চার যাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেওয়া হয়। শুক্রবার রাত পৌণে ১১টায় বিশেষ বিমানে করে দেশে আনা হয় আহত ১০ জনকে।