ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম বলেছেন, ‘র্যাংকিংয়ের প্রভাব থাকবে, র্যাংকিংয়ের প্রয়োজন আছে। আমার নিজের জানা দরকার যে আমাকে কিন্তু মার্কেটে কাজ করতে হবে। ক্রাইটেরিয়া নিয়ে বিতর্ক থাকবেই। সারা বিশ্বে র্যাংকিং একই ধরনের ক্রাইটেরিয়ার না। একই সঙ্গে যতগুলো ইউনিভার্সিটি আছে, কোনও ইউনিভার্সিটি কিন্তু সবদিকেই ভালো না। কোনও কোনও দিক দিয়ে ভালো। আমরা আসলে একটি জায়গায় এসেছি, সেটি হচ্ছে ইমপ্যাক্ট র্যাংকিং।’
দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘বিশ্ববিদ্যালয় র্যাংকিং’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার (২৭ মে) বিকালে শুরু হয় বাংলা ট্রিবিউনের সাপ্তাহিক এই আয়োজন।
তিনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের প্রসঙ্গে বলেন, ‘৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী প্রত্যন্ত অঞ্চলের। ওদের মান কিন্তু বেশ কম। ওদের নিয়েই আমরা সংগ্রাম করছি। সেজন্য অবশ্যই সে যখন মার্কেটে যাবে, অন্য ইউনিভার্সিটির থেকে ভালো করতে পারবে না। তবে উপস্থিত বুদ্ধিটা আছে তার। সেটা যদি আমরা অনুধাবন করে তাকে ওঠাতে পারি, এখানেই আমরা হাইলাইট করেছিলাম যে পল্লি অঞ্চলের একটা কন্ট্রিবিউশন আছে ড্যাফোডিলে। আমাদের শিক্ষকরা যে ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসেছেন, শিক্ষার্থীরাও একই ব্যাকগ্রাউন্ডের। এর থেকে বেরিয়ে আসতে প্রচুর কাজ হচ্ছে।’
সাংবাদিক মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় আজকের বৈঠকিতে অংশ নিয়েছেন– বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব) অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক তানবীর আহমেদ চৌধুরী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওআরজি কোয়েস্টের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনজুরুল হক, ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেটিক্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইআইডি) প্রধান নির্বাহী সাঈদ আহমেদ, ইংরেজি দৈনিক ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান এবং বাংলা ট্রিবিউন সম্পাদক জুলফিকার রাসেল।
রাজধানীর পান্থপথে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ বৈঠকি সরাসরি সম্প্রচার করে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ দেখা গেছে এ আয়োজন। ইউল্যাবের সহযোগিতায় বৈঠকিটি আয়োজিত হয়েছে।