হরেক রকম টুপি চাই, নানা রঙের টুপি (ফটোস্টোরি)

আর ক’দিন বাদে ঈদ। সব কেনাকাটা শেষে এখন টুপি, জায়নামাজ আর আতরের দোকানে ভিড়। নতুন জামা জুতার সঙ্গে রঙ-বেরঙের টুপি না হলে যেন চলেই না। সেই টুপি এখন দেশেই তৈরি হয় বারো মাস। কামরাঙ্গীরচরে টুপি বানানোর বেশ কিছু কারখানা গড়ে উঠেছে। সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন মার্কেটে এ টুপি চলে যায়। বিদেশেও এখানকার টুপি রফতানি করা হয়। কারিগররা বলছেন, সাধারণত দুই ঈদে টুপির চাহিদা বেশি হওয়ায় এ সময় কাজ শেষ করতে হিমশিম খেতে হয় তাদের। কারখানাগুলোর নারী-পুরুষ শ্রমিকরা দিনরাত সেলাইয়ের কাজ করছেন। নামাজের টুপি ছাড়াও নানা ফ্যাশনের টুপি তৈরি হয় এখানে। নানা রঙের সুতায় তৈরি হয় বাহারি এসব টুপি।

দুই ঈদের আগে কারিগর বাড়ানো হয়

টুপি কারখানা

ঈদের আগে চলছে দিনরাত কাজ

এখান থেকে দেশে বিদেশে টুপি যায়

নারী শ্রমিকরাও কাজ করেন

রঙ-বেরঙের কাজ করা টুপি

কারখানায় ব্যস্ত শ্রমিক