মানুষের ভিড় থাকায় হকাররাও পসরা সাজান নানা পণ্যের। এর মধ্যে দেখা মিললো মুচিরও। ঈদে তো প্রায় সবাই নতুন জুতো পরেই এসেছেন। তাহলে কেন মুচি? দর্শনার্থীদের অনেকেই এমন প্রশ্ন তোলেন।
এই প্রশ্নের উত্তরও পাওয়া গেল অবশ্য কিছুক্ষণের মধ্যেই। এক ব্যক্তি আসলেন জুতা সেলাই করতে। নতুন স্যান্ডেল, তবে হঠাৎ ফিতা ছিঁড়ে গেছে। আধাঘণ্টার মধ্যে দেখা গেলো আরও ২-৩ জনকে। তারাও আসেন জুতা সেলাই করাতে।
দর্শনার্থীদের ছেঁড়া জুতা সেলাই করছিলেন কৃষ্ণ রায়। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, ‘চিড়িয়াখানায় দীর্ঘ সময় হাঁটতে গিয়ে অনেকের জুতা ছিঁড়ে যায়। বিশেষ করে বাচ্চারা ছোটাছুটি-লাফালাফি করে, তাদের জুতো বেশি ছেঁড়ে। এছাড়া, ভাঙাচোরা বা মাটির রাস্তায় হাঁটতে গিয়েও অনেকের জুতা ছিঁড়ে যায়।’
কৃষ্ণ রায় বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধরেই ঈদের সময় চিড়িয়াখানায় আসি। অন্য সময় এখানে বসি না। ঈদে অনেক মানুষ আসে, তাই ঈদের সময়গুলোতে আসি।’
সরেজমিনে দেখা যায়, চিড়িয়াখানার ভেতরের অনেক রাস্তাই ভাঙাচোরা। অনেক স্থানে পাকা রাস্তা নেই। বৃষ্টি হওয়ায় মাটির রাস্তায় কাদা জমেছে। এসব স্থানে হাঁটতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়তে হয় দর্শনার্থীদের।
চিড়িয়াখানার কিউরেটর নজরুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সড়কগুলো ঠিক করার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। ঈদের পর কাজ শুরু হবে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে সবগুলো সড়ক ঠিক হবে।’