অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় অপ্রয়োজনীয় সিজার বাড়ছে: হাইকোর্ট



সুপ্রিম কোর্টহাইকোর্ট বলেছেন, বিধি অনুসারে আইনজীবীদের লাইসেন্স বাতিল করার সুযোগ আছে এবং তা করাও হয়। কিন্তু অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে তাদের বিধি অনুসারে লাইসেন্স বাতিল না করায় অপ্রয়োজনীয় সিজারের মতো ঘটনা ঘটছে।
এ-সংক্রান্ত এক রিটের শুনানিকালে রবিবার (৩০ জুন) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম। তার সঙ্গে ছিলেন ব্লাস্টের আইনজীবী আয়শা আখতার।
শুনানিতে ব্যারিস্টার রাশনা ইমাম দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজার নিয়ে বেশকিছু জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদন তুলে ধরেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সিজারের নেতিবাচক দিকগুলোও তুলে ধরেন তিনি।
শুনানির একপর্যায়ে আদালত বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় সিজারের ঘটনায় আমরা সবাই ভুক্তভোগী। জবাবদিহি না থাকায় এমনটা হয়। বিধি অনুসারে আইনজীবীদের লাইসেন্স বাতিল করার সুযোগ আছে এবং তা করাও হয়। কিন্তু অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে বিধি অনুসারে লাইসেন্স বাতিল না করায় অপ্রয়োজনীয় সিজারের মতো ঘটনা ঘটছে।’
দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজার নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করে ব্লাস্ট। রবিবার (৩০ জুন) দায়ের হওয়া এ রিটে প্রসূতি মায়েদের অপ্রয়োজনীয় সিজার বন্ধে নীতিমালা তৈরির আর্জি জানানো হয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদফতর ছাড়াও বাংলাদেশ গাইনোকলজিস্ট সোসাইটিকে রিটে বিবাদী করা হয়।