সকালে আদালতে আনার পর এজলাসের পেছনের একটি বেঞ্চে বসতে দেওয়া হয় তাকে। ওইখানে বসা অবস্থায় তার কাছে থাকা মোবাইলফোনে ১১টা ৪ মিনিটে একটি কল আসে। এ সময় তিনি প্যান্টের পকেট থেকে ফোন বের করে কল রিসিভ করে কথা বলেন। কথা শেষ করে ফোনটি পকেটে রেখে দেন।
এ সময় এজলাসে বসে ফোনে কথা বলার বিষয়ে আইনজীবী ও অন্যরা সমালোচনা করেন। তবে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা এ বিষয়ে কোনও ব্যবস্থা নেননি।
এজলাসে শুনানির পূর্বে ডিআইজি মিজানের সঙ্গে দু’জন লোককেও বেশ কয়েকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভেতর দিয়ে এসে কথা বলতে দেখা যায়।
বেলা ১১টা ৩১ মিনিটে আসামি ডিআইজি মিজানুর রহমানের মামলা শুনানির জন্য ডাকা হয়। তিনি বেঞ্চ থেকে উঠে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়ান। তার নিয়োজিত আইনজীবী ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দীর্ঘ ১ ঘণ্টা শুনানি করেন। এ সময় মিজান আসামির কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। ১২টা ৩৪ মিনিটে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আরও পড়ুন:
ওসির এসি কক্ষে ডিআইজি মিজানের ১৫ ঘণ্টা