ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট অনুমোদন






banglanewsকিশোরগঞ্জের সাবেক ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. সেতাফুল ইসলামসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলার চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার (১০ জুলাই) দুদক প্রধান কার্যালয় তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করে।
সেতাফুল এখন পিরোজপুরে কর্মরত আছেন। চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন কিশোরগঞ্জের জেলা হিসাব রক্ষণ অফিসের জেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম, সাবেক সুপার (বর্তমানে নিরীক্ষা ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, হিসাব ও সিডিপিইউ শাখা, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক কার্যালয়, সেগুনবাগিচা, ঢাকা) মোহাম্মদ গোলাম হায়দার, অডিটর মো. সৈয়দুজ্জামান, অফিস সহায়ক মো. দুলাল মিয়া, সোনালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার সাবেক এজিএম (বর্তমানে অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার, সোনালী ব্যাংক, জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ময়মনসিংহ) মো. মাহবুবুল ইসলাম খান, পূবালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক মুখলেছুর রহমান, মেসার্স সাদিয়া এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটর মো. আমিনুল ইসলাম ও রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকার বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর আলম।
আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ: তারা একে অপরের সহযোগিতায় প্রতারণা, জালিয়াতি ও সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের এল. এ. (ভূমি অধিগ্রহণ) কেস নম্বর ১০/২০১৬-১৭-এর ৫ কোটি টাকা আত্মসাত করেন। এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৭১/৪৭৭(ক)/১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন তারা।
এ বিষয়ে গত বছরের ১৭ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা (নম্বর-৩১) হয়। মামলার বাদী দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ময়মনসিংহের সহকারী পরিচালক রামপ্রসাদ মন্ডল।
তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১-এর সহকারী পরিচালক মো. আবদুল ওয়াদুদ।