গত ১২ মে, ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের পরিদর্শক শওকত আলী সরকার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্রে তিনি বলেন, ‘নওশাবা আহমেদ ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে ও জনসাধারণের অনুভূতিতে আঘাত করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর জন্য মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করেন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ (সংশোধনী) এর ৫৭ (২) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। এ অভিযোগপত্রে ২০ জনকে সাক্ষী করা হয়।’
গত বছরের ৪ আগস্ট রাতে রাজধানীর উত্তরা থেকে নওশাবাকে আটক করে র্যাব। গত ৫ আগস্ট এ মামলায় নওশাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিন এবং ১০ আগস্ট দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মামলাটিতে গত ২১ আগস্ট জামিন পান নওশাবা।
মামলার এজাহারে বলা হয়, গত বছরের ৪ আগস্ট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গুজব ছড়ান নওশাবা আহমেদ। ফেসবুক থেকে তিনি লাইভে বলেন, ‘জিগাতলায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করা হয়েছে। একজনের চোখ উঠিয়ে ফেলা হয়েছে এবং চার জনকে মেরে ফেলা হয়েছে।’ তার এই উসকানিমূলক বক্তব্যের কারণে র্যাব-১ এর ডিএডি মো. আমিনুল ইসলাম উত্তরার পশ্চিম থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।
আরও পড়ুন: অভিনেত্রী নওশাবা আটক