নোটিশে বলা হয়, নোটিশ প্রেরণকারী ব্যারিস্টার এম সারওয়ার হোসেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এবং সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর। গণতন্ত্র চর্চা এবং তার সংসদীয় এলাকায় জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে তিনি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চান তিনি। সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা বর্ণিত আছে। কিন্তু গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও) এর ১২(২)(৩এ)(এ) ধারায় উল্লেখিত এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর সংগ্রহের বিধান স্বতন্ত্র প্রার্থিতার ক্ষেত্রে বড় বাধা। এ ধারার হস্তক্ষেপে জনগণের অধিকার খর্ব হচ্ছে। পৃথিবীর অন্য কোনও দেশে এ ধরনের বিধান নেই। স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও বিধানটির প্রয়োগ হয় না। এটি সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের সঙ্গেও সরাসরি সাংঘর্ষিক।
নোটিশে আরও বলা হয়, এক-এগারোর সেনা নিয়ন্ত্রিত অগণতান্ত্রিক সরকারের আমলে ২০০৮ সালে বিধানটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল আরপিওতে। উদ্দেশ্য ছিল, জনগণকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা। ভোটাররা গোপন কক্ষে ভোট দেন। এতে প্রতিনিধি নির্বাচনে তাদের সুরক্ষার পাশাপাশি গোপনীয়তা বজায় থাকে। কিন্তু এক শতাংশ ভোটার যখন স্বাক্ষর করেন এতে তাদের গোপনীয়তা প্রকাশ হয়ে পড়ে যা তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সবদিক বিবেচনায় সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক আরপিওর এ বিধানটি তিন মাসের মধ্যে বাতিলের জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় এ বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট করা হবে।