গবেষণার তথ্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন অধ্যাপক ফারুক। এর আগে সংস্থাটির পক্ষ থেকে একটি চিঠি দিয়ে গবেষণার তথ্যগুলো চাওয়া হয়। তারই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি সেগুলো তাদের কাছে পাঠিয়েছেন।
অধ্যাপক ফারুক প্রথম দফায় দুধ পরীক্ষার ওপর যে প্রতিবেদন প্রকাশ করেন তাতে এসব ব্র্যান্ডের দুধে ৩ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়ার কথা জানান। এ তথ্যে সরকারসহ সব মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হলে ৭ দিনের মধ্যে গবেষণার তথ্য চেয়ে অধ্যাপক ফারুককে একটি চিঠি দেয় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এরই মধ্যে দ্বিতীয় দফায় দুধ পরীক্ষা করেন তার নেতৃত্বে গবেষক দল। গত সপ্তাহে ওই একই ব্র্যান্ডের দুধের নমুনা একই জায়গা থেকে সংগ্রহ করে ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। আর তাতে পরের বার মোট ৪টি করে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়। সবক’টি নমুনাতেই পাওয়া অ্যান্টিবায়োটিকের মধ্যে আছে - অক্সিটেট্রাসাইক্লিন, এনরোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ও লেভোফ্লক্সাসিন। এরমধ্যে প্রথম পরীক্ষায় ছিল না এমন নতুন যে দুটি অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে তা হলো অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ও এনরোফ্লক্সাসিন।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ চিঠিতে জানতে চেয়েছিল কোথায় পরীক্ষা করেছি, কীভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে, কোন পদ্ধতিতে করা হয়েছে। আমি তাদের সব পাঠিয়ে দিয়েছি। আজকে পেয়ে যাওয়ার কথা। যেভাবে যেভাবে যা চাওয়া হয়েছে সবই আমি তাদের কাছে পাঠিয়েছি।
এদিকে, অধ্যাপক ফারুকের পাঠানো তথ্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংস্থাটির পরিচালক আবু শহীদ সালেহ মোহাম্মদ জুবেরি। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা অধ্যাপক ফারুককে একটি চিঠি দিয়েছিলাম। তিনি যে গবেষণা করেছেন তার প্রাপ্ত তথ্যগুলো আমরা চেয়েছিলাম। তিনি কোন পদ্ধতিতে করেছেন, তার একচ্যুয়াল ফাইন্ডিংসের আমরা একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছিলাম। তিনি প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। আজকেই আমরা রিসিভ করেছি। আমরা বিষয়টি দেখছি। আমাদের একটি টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ আছে। তাদের কাছে প্রতিবেদনটি দেবো। তাদের অভিমত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো আমরা।’
এ সংক্রান্ত আগের সংবাদ:
প্যাকেট দুধে অ্যান্টিবায়োটিক, মসলায় টেক্সটাইল রঙ