কর্মসূচিতে তারা বলেন, জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র অববাহিকায় শুরু হওয়া বন্যা ইতোমধ্যে তিন সপ্তাহ অতিক্রম করেছে। বর্তমানে সেটি দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ২১ জেলার ১৪৪ উপজেলাকে প্লাবিত করেছে। পানিবন্দি হয়েছে ৪০ লাখ মানুষ। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক।
তারা আরও বলেন, আমরা লক্ষ করেছি বন্যাকবলিত বেশিরভাগ অঞ্চলে এখনও সরকারি ত্রাণ ও চিকিৎসা সহযোগিতা পৌঁছায়নি। অথচ ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় নামে বাংলাদেশ সরকারের রয়েছে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয়। আর এর জন্য এবারের বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা।
কর্মসূচিতে তারা দাবি জানান, ভবিষ্যতে বন্যার আগেই তা মোকাবিলা করার সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে হবে। বন্যা রক্ষাবাঁধ নির্মাণ, নদীরক্ষা কার্যক্রম, নদী খনন ইত্যাদিতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুর্নীতি বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে, নদীগুলোর প্রবাহ নিশ্চিত করতে নদী দখল তৎপরতা বন্ধ করতে হবে, আন্তর্জাতিক নদীগুলোর ক্ষেত্রে ন্যায্য পানির পাওয়ার স্বার্থে নতজানু কূটনৈতিক তৎপরতা পরিত্যাগ করতে হবে।