নুসরাতকে মনে পড়ে (ভিডিও)

পড়ার টেবিল, পোশাক, বইয়ের তাকসহ সবই আছে। শুধু নুসরাত জাহান রাফি নেই। সে ঘরের দেয়ালে লিখে রাখতো কবিতার পঙক্তি, মনের কথা। মায়ের প্রতি ভালোবাসা আর ভাইয়ের প্রতি আহ্লাদের ছাপও রয়ে গেছে তাতে।

ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিলেন নুসরাত। মাদ্রাসার ছাদেই গত ৬ এপ্রিল সকালে তাকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে আনার চার দিন পর মৃত্যুর কাছে হার মানে মেয়েটি।

নুসরাতের বাড়িতে ৩০ এপ্রিল গিয়ে দেখা যায়, তার ঘরে অন্যরকম স্মৃতির জানালা। সেগুলো আঁকড়ে মা অপেক্ষা করছেন ন্যায়বিচারের। নুসরাতের বন্ধুরা মাদ্রাসার সেই বেঞ্চে একসঙ্গে বসে ঠিকই, কিন্তু সহপাঠী হঠাৎ চলে যাওয়ার কষ্ট তাড়া করে ফেরে তাদের।

কেউ কেউ নুসরাতকে হত্যা করতে চাইলেও পুরো দেশ তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাকে। ১০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে না ফেরার দেশে চলে যায় সে। শরীরের ৮৫ ভাগ পুড়ে যাওয়ার ক্ষত আর একবুক অভিমান নিয়ে চলে গেছে মেয়েটি। তার মৃত্যুর সঙ্গে জন্ম নেয় একটি প্রশ্ন: তবে কি অপরাধের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোটাই ছিল তার অপরাধ!

ভিডিও: উদিসা ইসলাম