পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে বিকাল ৫টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করান।
বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকের বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. আব্দুল খান বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আলমগীরের শরীরের ৭০ শতাংশ এবং বীণার শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গেছে।
এই দম্পতির ছেলে আবির জানান, কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা হুক্কাপট্টি এলাকায় থাকেন তারা। দুপুরে রান্না করার সময় গ্যাসের চুলা থেকে তার মায়ের শরীরে আগুন ধরে যায়। তার চিৎকার শুনে তাকে বাঁচাতে বাবা এগিয়ে গেলে তিনিও দগ্ধ হন।