এ বিষয়ে কবিরুল বাশার আরও বলেন, ‘ডেঙ্গুর “এটিচিউড” নিয়ে আমার একটি জার্নাল প্রকাশ হয়েছে। আমরা সাত-আটশ’ লোকের ওপর ঢাকা শহরে স্টাডি করেছি। এ সময় আমরা বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন করেছি। তাতে দেখি ঢাকা শহরের ৮০ শতাংশ মানুষ ডেঙ্গু এবং ডেঙ্গুর মশা যে এডিস জানে এবং তারা এটাও জানে যে, এই মশা পাত্রে জমে থাকা পানিতে জন্ম নেয়। তবে সাধারণ মানুষের এই মশা নিয়ে কোনও “প্র্যাকটিস” নেই। আমাদের এটিচিউড ভালো, কিন্তু প্র্যাকটিসে গিয়ে কিছু করছি না। এখন দোষ কারও ওপর চাপাতে হবে।’
এডিস মশা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এডিস মশা ঢাকা শহরে দু’ ধরনের। একটিকে এডিস এলবোপিকটাস বলে, আরেকটিকে এডিস ইজিপটাই বলে। ইজিপটাইটা আমাদের বিজ্ঞান অনুযায়ী ৯৫ শতাংশ ডেঙ্গু রোগের জন্য দায়ী, আর এলবোপিকটাস ৫ শতাংশ দায়ী। এলবোপিকটাস রোগ ছড়ায় যখন মহামারির পর্যায়ে চলে যায়। সাধারণ মানুষ চোখে দেখে আলাদা করতে পারবেন এই দুই জাতের মশা। এলবোপিকটাস একটু জংলি প্রজাতির মশা। এজন্য এটিকে এশিয়ান টাইগারও বলা হয়। আর ইজিপটাইটা হলো গৃহপালিত মশা। ইজিপটাইটা ঘরের আশেপাশে থাকতে পছন্দ করে, এটা তার চরিত্র। যেহেতু ঘরের এবং বাইরের পানি জমা পাত্রে বংশবৃদ্ধি করে সেক্ষেত্রে তার চান্স বেড়ে যায় রোগ ছড়ানোর।’
মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় আজকের বৈঠকিতে আরও অংশ নিচ্ছেন– ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্যানেল মেয়র আলেয়া সারোয়ার ডেইজী, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. লেলিন চৌধুরী, ব্লগার ও অ্যাক্টিভিস্ট বাকি বিল্লাহ ও বাংলা ট্রিবিউনের সিনিয়র রিপোর্টার জাকিয়া আহমেদ।
রাজধানীর পান্থপথে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ বৈঠকি সরাসরি সম্প্রচার করেছে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এটিএন নিউজ। পাশাপাশি বাংলা ট্রিবিউনের ফেসবুক ও হোমপেজে লাইভ দেখা গেছে এ আয়োজন।
আরও পড়ুন: ‘সামনে হয়তো মহাদুর্যোগ অপেক্ষা করছে’