তিনি বলেন, ‘শুধু আইজিপি নয় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট প্রধান ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে আসছিল টিপু মিয়া ওরফে মমিনুল হক। কর্মকর্তাদের নাম ব্যবহার করে তাদের নামের পাশে নিজের ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে টাকা চাইতো। পুলিশের লোগোসহ অন্যান্য নাম ও প্যাড ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দিতো। টাকা না দিলে বিভিন্ন ধরনের হুমকিও দিতো সে।’
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে টিপু মিয়ার কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের বরাত দিয়ে ডিবি উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মশিউর রহামন বলেন, ‘সে দীর্ঘদিন টিএম ট্রেডার্সে কাজ করতো। চাকরি করার সময় সে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে টিএম ট্রেডার্সের চিঠিপত্র আদান-প্রদান করতো। তখন সে প্রতারণার বিভিন্ন কৌশল শিখে নেয়। একপর্যায়ে চাকরি ছেড়ে দেয় এবং প্রতারণা শুরু করে। পুলিশের বিভিন্ন উৎসবসহ অন্যান্য জাতীয় উৎসব উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মিত টাকা হাতিয়ে নিতো।’
প্রতারক টিপু মিয়ার নামে পল্টন থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের বিমানবন্দর জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মহরম আলী।