‘ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়াই ঢাকার বাইরে রোগী বাড়ার সম্ভাব্য কারণ’

ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়াকেই ঢাকার বাইরে রোগী বাড়ার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মনে করছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। একইসঙ্গে সপ্তাহের শুরুতে নতুন রোগী ভর্তির হার ঊর্ধ্বমুখী হলেও সপ্তাহের শেষে তা কিছুটা কমে এসেছে বলেও জানিয়েছেন তারা। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, ঢাকার বাইরের মোট রোগীর শতকরা ৬৬ শতাংশ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

রবিবার (১১ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেকের সভাপতিত্বে এসব কথা জানানো হয়।

পরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে নিয়মিত পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. সানিয়া তহমিনা, অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. মো রিজওয়ানুল করিম ( শামীম), হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার, ডেঙ্গু বিষয়ক কার্যক্রমের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম এম আক্তারুজ্জামানসহ অন্যরা।

সভায় জানানো হয়, গত এক সপ্তাহে (৪ থেকে ১০ আগস্ট) নতুন রোগী ভর্তি আর চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি যাওয়া রোগীর হার যথাক্রমে ৫৪ ও ৪৬।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হযেছন ৩৮ হাজার ৮৪৪ এবং চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯ হাজার ৩৭৫ জন।

এদিকে, ডেঙ্গু রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ জনের একটি চিকিৎসক দল চারটি হাসপাতালে কাজ করছেন বলেও সভায় জানানো হয়। এর মধ্যে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩০ জন, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ২০ জন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ট্রমাটোলজি অ্যান্ড অরথোপেডিক রিহ্যাবিলিটেশন (নিটোর-পঙ্গু হাসপাতাল) ২০ জন এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২০ জন চিকিৎসক কাজ করছেন। সভায় জানানো হয়, তোপখানা রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের অফিসে ডেঙ্গু সেলে জ্বরের রোগীদের ডেঙ্গু পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।