ঈদের দিনে ঢাকার ভেতরে ৮৪২ ডেঙ্গু রোগী, বাইরে ১২৫১

ডেঙ্গু রোগীর সাম্প্রতিক তথ্য।ঢাকা শহরে আজ সোমবার ( ১২ আগস্ট) ডেঙ্গু রোগী হিসেবে চিকিৎসাধীন আছেন ৮৪২ জন আর ঢাকার বাইরে আছেন এক হাজার ২৫১ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানিয়েছে।

সরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৪৩ হাজার ২৭১ জন ও চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫ হাজার ২২৫ জন। আর সারা দেশে ভর্তি থাকা মোট রোগীর সংখ্যা আট হাজার ৬ জন, যা আগের দিনের (১১ আগস্ট) তুলনায় শতকরা ৯ শতাংশ কম।

সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ( ৬ থেকে ১২ আগস্ট) নতুন ভর্তি হওয়া রোগী এবং ছাড়পত্র নেওয়া রোগীর আনুপাতিক হার যথাক্রমে ৫১ এবং ৪৯ শতাংশ।

তবে রাজধানী ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। কন্ট্রোল রুমের পাঠানো তথ্যে দেখা যায়, গত ৮ আগস্ট ঢাকার ভেতরে রোগী ছিল এক হাজার ১৫৯ আর ঢাকার বাইরে এক হাজার ১৬৭ জন, ৯ আগস্ট ঢাকার ভেতরে রোগী ছিল ৯৫৭ জন আর ঢাকার বাইরে রোগী ছিল এক হাজার ৫৫ জন, ১০ আগস্ট ঢাকার ভেতরে রোগী ছিল এক হাজার ৬৫ জন আর ঢাকার বাইরে রোগী ছিল এক হাজার ১১১ জন, ১১ আগস্ট ঢাকার ভেতরে রোগী ছিল ৯৮১ জন আর ঢাকার বাইরে ছিল এক হাজার ৩৫৩ জন এবং আজ ( ১২ আগস্ট) ঢাকার ভেতরে রোগী আছেন ৮৪২ জন আর ঢাকার বাইরে আছেন এক হাজার ২৫১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ( ১১ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে ১২ আগস্ট সকাল ৮টা) নতুন ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা দুই হাজার ৯৩ জন। ঢাকায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীর হার কমেছে শতকরা ১৪ শতাংশ আর ঢাকার বাইরে নতুন ভর্তি হওয়া রোগীর হার কমেছে শতকরা ৮ শতাংশ।
কন্ট্রোল রুম জানায়, ঢাকা মহানগরীতে বর্তমানে রোগী ভর্তি আছেন চার হাজার ২০২ জন আর ঢাকার বাইরে ভর্তি আছেন তিন হাজার ৮০৪ জন। আগের দিনের তুলনায় ঢাকা ও ঢাকার বাইরে মোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা যথাক্রমে ১০ ও সাত শতাংশ কমেছে।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন্স সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের মাসিক তালিকা থেকে দেখা যায়, গত জুলাই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১৬ হাজার ২৫৩ জন আর ১২ আগস্ট পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা হয়েছে ২৪ হাজার ৮১০। চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে মারা গেছেন মোট ৪০ জন বলে জানায় কন্ট্রোল রুম। যদিও বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি।

কন্ট্রোল রুম জানায়, আজ ১২ আগস্ট ঈদুল আজহার দিনেও সকল সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গুসহ সকল প্রকারের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদফতরের পর্যবেক্ষক দল বিভিন্ন হাসপাতালে কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে চলছে কিনা, তা নিয়মিত তদারকি করছে।