মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, ‘খোদ ভারতের অন্য রাজনৈতিক দল এবং অধিকাংশ জনগণের দাবি কাশ্মিরীদের স্বাধীনতায় যেন হস্তক্ষেপ করা না হয়। সেখানে মোদি সরকার কীভাবে একক নৈরাজ্য চালায় তা আমাদের বোধে আসে না।’ কাশ্মিরের স্বাধীনতা দিয়ে সেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে দলটির আমির ইসমাঈল নুরপুরী বলেন, ‘কাশ্মিরীরা দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে ভারতের শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে আসছে। একটি স্বাধীন ভূস্বর্গকে পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে শাসন করে আসছে ভারত সরকার; যা সম্পূর্ণ অনৈতিক। সেখানে গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মিরীদের অবস্থান পরিষ্কারের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। উল্টো সংবিধান সংশোধন করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে ভারত সরকার। কাশ্মিরের মোড়ে মোড়ে সেনাক্যাম্প স্থাপন করে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করা হচ্ছে। কারফিউ জারি করে শতশত কাশ্মিরীকে হত্যা করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, ওষুধের অভাবে কাতরাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে কোনও মুসলমান চুপ করে বসে থাকতে পারে না।’
সমাবেশে আগামী বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেওয়া হয়।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন—দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির যুবায়ের আহমদ আনসারী, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি শরাফত হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা এনামুল হক মূসা, সহবায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা নিয়ামতুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহসিনুল হাসান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা হারুনুর রশীদ ভূঁইয়া প্রমুখ।