দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নামজারি, ডিসিআর ও খাজনার জন্য ঘুষ নেওয়াসহ গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ নিতে গোপালগঞ্জ ও হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হলো, সে বিষয়েও জেলা প্রশাসকদের জানাতে বলা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ টাকা ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ, বিদ্যুতের মিটার দিতে ঘুষ দাবি, জমির খাজনা আদায়ের নামে ঘুষ নেওয়া, জেলেদের জন্য বরাদ্দ চাল বিতরণে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাদ্রাসা ও বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ থেকে বালু উত্তোলন, চিকিৎসকদের দায়িত্ব অবহেলা এবং বিদ্যালয়ে ক্লাস না নিয়ে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে সাত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এসব উপজেলা হলো রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, জামালপুরের বকশিগঞ্জ, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ, ভোলার চরফ্যাশন, টাঙ্গাইলের ভুয়াপুর নোয়াখালীর হাতিয়া ও যশোরের সদর উপজেলা।