মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিবের একান্ত সচিব (উপসচিব) কাজী শাহজাহান এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শিক্ষামন্ত্রী না থাকায় সভা স্থগিত করা হয়েছে।
‘জাতীয় শিক্ষানীতি-১০’ বাস্তবায়নে ২০১১ সালে শিক্ষা আইনের খসড়া প্রস্তুত করা হয়। এরপর প্রায় ৯ বছর খসড়া চূড়ান্ত করতে পারেনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার শিক্ষা আইন-২০১৯ এর খসড়া নিয়ে বৈঠকে আলোচনার পর তা চূড়ান্ত করার কথা ছিল। এর আগে তিন দফা আইনের খসড়াটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হলেও তা ফেরত পাঠানো হয়। এরপর খসড়াটি চূড়ান্ত করতে বিদেশি দুইজন পরামর্শক নিয়োগ করে সরকার। চতুর্থবারের মতো খসড়াটি চূড়ান্ত করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রথম খসড়ায় নোট-গাইড নিষিদ্ধ ও কোচিং বাণিজ্য বন্ধের বিধি সংযুক্ত করায় আইনের খসড়া চূড়ান্ত করতে বাধার মুখে পড়ে মন্ত্রণালয়। আইনটি ঠেকাতে নোট-গাইড ব্যবসায়ী ও কোচিং বাণিজ্যে জড়িত সিন্ডিকেট একজোট হয়ে কাজ করার কারণে এই বাধার সৃষ্টি হয়। তাদের দাবি, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন থেকে কোচিং বন্ধের ধারা-উপধারাগুলো বাদ দিতে হবে।
উল্লেখ, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির স্বামী ভারতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শিক্ষামন্ত্রীও রয়েছেন সেখানে। আজ বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।