সমাবেশে ডাকসুর সিদ্ধান্তকে একটি ছাত্র সংগঠনের একক সিদ্ধান্ত বলে দাবি করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। তারা বলেন, ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর এবং সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন ধর্মভিত্তিক ছাত্র সংগঠনের বিষয়ে গৃহীত সিদ্ধান্তে মত দেননি। তারা ডাকসুর বর্তমান কমিটিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন করে নির্বাচন দিতে তফসিল ঘোষণার দাবি জানান।
সমাবেশ থেকে চার দফা দাবি পেশ করা হয়। তাদের দাবিগুলো হলো ১. ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতির প্রস্তাব বাতিল করতে হবে, ২. ক্যাম্পাসের সব দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার করতে হবে, ৩. রাজনৈতিক বিবেচনায় আবাসিক হলে সিট বরাদ্দ বন্ধ করে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে প্রথম বর্ষ থেকে বৈধ সিটের ব্যবস্থা করতে হবে, ৪. বিতর্কিত ডাকসু ভেঙে দিয়ে অনতিবিলম্বে পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করতে হবে।
সমাবেশে মাহমুদুল হাসান আরও বলেন, ‘দীর্ঘ ২৮ বছর পর ডাকসু এসেছে। প্রতিনিধিদের কাজ ছিল শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান করা। কিন্তু তারা ধর্মভিত্তিক ছাত্র রাজনীতি নিয়ে খেলা করছেন। ক্যাম্পাসে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি যদি বন্ধ করা হয়, তাহলে এই ক্যাম্পাস মুক্তমনা থাকবে না, প্রগতিশীল থাকবে না। আমরা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, সারাদেশে রাজনীতি করতে পারি।’
প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন হলে কোনও সংগঠনকে নিষিদ্ধ করে নয়, বরং আদর্শিকভাবে প্রতিহত করার আহ্বান জানান তিনি।
দাবি আদায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধর্মভিত্তিক ছাত্র সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলন, বিশ্ববিদ্যালয় আচার্য এবং উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও প্রয়োজনে হাইকোর্টের যাওয়ার কথা জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।