আটক ৩ জন হলো মো. সুমন (৩০), মো. কামরুজ্জামান রাসেল (৩১) ও মো. আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ (২৬)। তাদের সবার বাড়ি দিনাজপুর সদর এলাকায়।
র্যাব-১-এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আন্তঃজেলা মাদক কারবারী চক্রের এই ৩ সদস্য জানায়, দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে এসব ফেনসিডিল তারা ঢাকায় নিয়ে আসছিল। সারাদেশে মাদক কারবারিদের কাছে ফেনসিডিল সরবরাহ করে তারা।
তিনি জানান, আসামি সুমন প্রাইভেটকার চালক। পাশাপাশি মাদক ও অস্ত্র কারবারেও জড়িত। ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে এসব মাদক ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ নিয়েছিল সে। আসামি রাসেলের একটি মোবাইলের দোকান আছে। মাদক ও অস্ত্র কারবারে জড়িত থাকার কথা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে সে। আর আসাদ ঢাকার একটি বায়িং হাউজে কাজ করে। সেও এই চক্রের সঙ্গে জড়িত।
র্যাবের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আন্তঃজেলা মাদক কারবারী এই চক্রের আরও সদস্য রয়েছে। আটক ৩ জন অনেক গুরুত্বর্পূণ তথ্য দিয়েছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই করে বাকিদের আটকের চেষ্টা চলছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।