তিনি বলেন, ট্রেনে কাটা পড়ে প্রথমে তার এক পা বিচ্ছিন্ন হয়। পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতেই তিনি মারা যান।
পুলিশ কর্মকর্তা রকিব আরও বলেন, স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
নিহতের ভাইয়ের ছেলে মো. বাকি বিল্লাহ বলেন, রুহুল আমিন মোল্লাহ পল্টন এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তিনি আইসিবি ব্যাংকের ডিজিএম ছিলেন। অফিস শেষে কোনও কাজে হয়তো মালিবাগে গিয়েছিলেন। সেখানে ট্রেনের নিচে পড়ে তার বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে তার মোবাইলের সিম থেকে নম্বর নিয়ে স্বজনদের দুর্ঘটনার বিষয়ে জানান তারা। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টায় তিনি মারা যান।
নিহত রুহুল আমিন মোল্লাহ বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মোতাহার আলী মোল্লাহর ছেলে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক।