ইনকিলাব এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড পাবলিকেশনস, মেসার্স শাহীন অ্যান্ড ব্রাদার্স ও কাদেরিয়া পাবলিকেশনসের পরিচালক বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে মামলায় বলা হয়েছে, ১ কোটি ৭০ লাখ ২৯ হাজার ৪৩৩ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মালিক তিনি। এছাড়া দুদকে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে ৮৯ লাখ ১৯ হাজার টাকার সম্পদ গোপনের তথ্য পাওয়া গেছে।
২০১৬ সালে বাহাউদ্দীনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ২০১৭ সালের ১ নভেম্বর সম্পদ বিবরণী জমা দেন তিনি। সেখানে তিনি ১ কোটি ৬৫ লাখ ১৮ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেছিলেন।