মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে মালয়েশিয়ার বিচারব্যবস্থা নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় শীর্ষক সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। মামলাজট নিরসনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে মামলাজট কমাতে হলে বিচারকদের কাজে আইনজীবীকে সহযোগিতা করতে হবে। আদালতের সিদ্ধান্ত পছন্দ হোক বা না হোক তা মানতে হবে। বার (আইনজীবী সমিতি) ও বেঞ্চের পারস্পরিক সহযোগিতা ছাড়া মামলাজট কমানো সম্ভব না।’
বর্তমানে দুবাই আন্তর্জাতিক আর্থিক আদালতের প্রধান বিচারপতি জাকি বিন আজমী বলেন, ‘একটি মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারলে আইনজীবী নতুন মামলা ধরতে পারবেন। এভাবে তিনি অনেক মামলা সম্পন্ন করতে পারেন। ফলে তার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না। মালয়েশিয়া মামলার জট কমাতে পারলে বাংলাদেশও পারবে।’
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী বলেন, ‘বিচার প্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সহযোগিতার মানসিকতা দেখাতে হবে আইনজীবীদের। মামলা মুলতবি রাখার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’ বিচারকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা বারের সিনিয়র সদস্যদের সম্মান করে থাকি। তিনি অন্য আদালতে ব্যস্ত থাকলে মামলা মুলতবি করি। এটাও পরিবর্তন হওয়া দরকার।’
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার এ এম মাহবুবউদ্দিন খোকনের সঞ্চালনায় এবং সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ এম আমিন উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় আইনজীবী ড. কামাল হোসেন আন্তর্জাতিক সালিসি মামলায় তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।