নাইজেরিয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের সদস্য, ব্যবসায়ী নেতা ও প্রবাসী বাংলাদেশীরা এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নাইজেরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মো. শামীম আহসান। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্কে নতুন এই যাত্রা একটি স্মরণীয় মূহূর্ত হয়ে থাকবে। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে একটি নতুন মাত্রা যুক্ত করবে।
এ আয়োজনের জন্য নাইজেরিয়ার ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর আর্টস অ্যান্ড ক্রাফ্টস-এর মহাপরিচালক অটুন্বা সেগুন রানসুয়ে-কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের হাই কমিশনার।
নিজের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের দ্রুত অগ্রগতি কথা তুলে ধরেন মো. শামীম আহসান।
অনুষ্ঠানে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের সমন্বয়ে ২০ সদস্যের একটি দল পাঠায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের দলনেতা উপ-সচিব জনাব মো. আতাউর রহমানও এ আয়োজনে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে কেক কাটার মাধ্যমে ʿনাইজেরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ ক্লাব’ যাত্রা শুরু করে। নাইজেরিয়ার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইব্রাহিম আগবুলা গামবারী, নাইজেরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান, ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর আর্টস অ্যান্ড ক্রাফ্টস-এর মহাপরিচালক অটুন্বা সেগুন রানসুয়ে একসঙ্গে কেক কাটেন।
বাংলাদেশ ও নাইজেরিয়ার বিশিষ্ট শিল্পীরা অনুষ্ঠানে সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। দেশাত্ববোধক, রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীতকে উপজীব্য করে ডালিয়া আহমেদের উপস্থাপনায় সংগীত শিল্পী সালমা আকবর, ইয়াসমিন আলী, সফিক তুহিন, কাজী মুয়িত শাহরিয়ার সিরাজ জয়, ম্যনুয়েল সোরেন, আব্রু নকরেক পরিবেশনায় অংশ নেন। নৃত্যশিল্পী মোহাম্মদ রাসেল আহমেদ, সংগীতা চৌধুরী, আফরিন সুলতানা নিপু, রাহিনা জামান ও শাম্মী ইয়াসমিন ঝিনুক-এর পরিবেশনাও সবাইকে মুগ্ধ করে।
বিদেশি শ্রোতারা মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে শিল্পীদের অভিনন্দিত করেন। তবলায় দেবু চৌধুরী, কি বোর্ডে কাজী যোবায়ের কায়সার, গিটারে অভিজিত চক্রবর্তী এবং ঢোলে মো. নজরুল ইসলাম শিল্পীদের সহযোগিতা করেন। সংগীতের মূর্ছনায় ও নৃত্যের তালে তালে মুক্তিযুদ্ধ, উন্নয়ন অভিযাত্রা ও আবহমান বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উঠে আসে। পরে অতিথিদের উভয় দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।