এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রকল্প পরিচালককে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

কৃষ্ণ কুমার পালসিরাজগঞ্জের শহীদ এম মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষ্ণ কুমার পালকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক জানায়, আসবাবপত্র ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় প্রকল্প পরিচালককে রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত গণমাধ্যমকে বলেন, আসবাবপত্র, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় দুর্নীতির ঘটনায় আরও কে কে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এ বিষয়ে অভিযোগ জমা হলে তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে দুদক। উপপরিচালক সামছুল আলমকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ২৩ ধরনের নথিপত্র যাচাই করছে অনুসন্ধান কমিটি।

দুদক জানায়, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে মনসুর আলী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ কাজের উদ্বোধন হয়। গণপূর্ত বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করছে আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সিরাজগঞ্জ শহর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে শিয়ালকোলে প্রায় ৩০ একর জমির ওপর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণের প্রথম ধাপে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। চলতি বছরের অক্টোবরে খরচ ৩৯ শতাংশ বৃদ্ধি করে ব্যয় ধরা হয় ২৪৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা। ২০২০ সালের জুন মাসে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে।