দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে কেএম মাইনুউদ্দিন বলেন, দু’জনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। রহিমা বেগমের গলার দু'পাশে কালো দাগ রয়েছে। গলায় টিপে ধরা হয়েছিল, এছাড়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। সুমির শুধু গলার দু'পাশে দাগ রয়েছে।
সোহরাওয়ার্দীর এই চিকিৎসক আরও বলেন, মৃত্যুর আগে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে কিনা, তা জানার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। তা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ডিএনএর নমুনা ও ব্লাড সংগ্রহ করে প্যাথলজিতে পাঠানো হবে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রহিমার মেয়ে রাশিদা তার মায়ের মরদেহ নিয়ে গেছেন। গৃহকর্মী সুমির স্বজনরা এখনও আসেনি। পরিবারের সদস্যরা আসলে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
আরও পড়ুন:
মিরপুরে গৃহকর্ত্রী-গৃহকর্মীকে শ্বাসরোধে হত্যা ধারণা পুলিশের, পালিত ছেলে আটক