আদালতে সাইদুরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক।
এর আগে গত ২৫ নভেম্বর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন সাইদুর। হাইকোর্ট তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাওয়ার নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৮ নভেম্বর বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। তবে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান। এরপর সাইদুর জামিন চেয়ে পুনরায় হাইকোর্টে আবেদন জানান। ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। ওই রুল নিষ্পত্তি করে এদিন তার জামিন মঞ্জুর করে রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।
জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬-এর বিধিবিধান লঙ্ঘন করে বনানীতে ১৫ তলার স্থলে ১৮ তলা ভবনের (এফআর টাওয়ার) নকশা অনুমোদন করায় দুদকের উপপরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক ৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। গত ২৫ জুন এ মামলা করা হয়।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন ইজারাগ্রহিতা সৈয়দ মো. হোসাইন ইমাম ফারুক, রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুল, সাবেক চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন খাদেম ও রাজউকের সাবেক অথরাইজড অফিসার সৈয়দ মকবুল আহমেদ।
গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুন লাগে। এতে ২৬ জন মারা যান।