ঢাবির পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ও সাদা দলের যুগ্ম-সম্পাদক লুৎফর রহমান বলেন, ‘ডাকসুর ওপর যখন এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলা হয়, তখন তা সমগ্র জাতিকে আঘাত করে। গত রবিবার ভিপি নুর এবং তার সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় নিন্দা জানাই।’
স্বাগত বক্তব্যে বায়োকেমেস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক লায়লা নুর ইসলাম বলেন, ‘ডাকসু সমগ্র জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার জায়গা। এখানে যখন সন্ত্রাসী হামলা হয়, তখন পুরো জাতিকে তা গভীরভাবে আঘাত করে। সেদিন আমাদের ছাত্ররা, আমাদের অঙ্গনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। আমাদের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে মুক্তচিন্তা করবে, কিন্তু তা করতে তারা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে।’
নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক রাশেদ মাহমুদ বলেন, ‘আমি হামলার কোনও প্রতিবাদ জানাবো না। কারণ বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি চালু রয়েছে, তাতে প্রতিবাদ করে কোনও লাভ হবে না। যখন কোনও ঘটনা ঘটে, তখন অপর একটি ঘটনা ঘটিয়ে আগের ঘটনা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা চলে। রাজনীতি এখন পচে-গলে গেছে। যেই অপরাধী হোক না কেন, তাকে দলবল নির্বিশেষে শাস্তি দেওয়া প্রয়োজন।’
শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের শিক্ষক আলমগীর হোসেন সম্রাট বলেন, ‘ডাকসু ভবনে অনেকগুলো সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ হাওয়া হয়ে গেল। একদল হামলা করেছে, আরেকদল সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে গেছে। এখানে প্রশাসনের কোনও পদক্ষেপ দেখছি না।’
নিজ বক্তব্যে ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী দাবি করেন, ‘একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রের যত বৈশিষ্ট্য, তার সব দেশের সর্বক্ষেত্রে বিরাজমান।’
পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও সাদাদলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলান বলেন, ‘ডাকসুর ভিপি ক্ষমতাসীনদের আদর্শ ধারণ করেন না, তাই বার বার হামলা হচ্ছে। আমরা এ হামলার নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাই। বর্তমান সরকার সব ক্ষেত্রই ব্যর্থ। এই সরকারের শাসনামলে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তাদের ছাত্র সংগঠন ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।’
ভিপি নুর ও অন্য শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় জড়িতদের শাস্তি দাবি জানিয়ে বক্তব্য শেষে করেন তিনি।