পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) জানায়, মতিঝিলের ইয়ংমেন্স ক্লাবে অবৈধ ক্যাসিনো কেলেঙ্কারি মামলার আসামি খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়ার ঘনিষ্ঠ মোহাম্মদ উল্লাহ খান দীর্ঘদিন ধরে তার সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিল। খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া গ্রেফতার হওয়ার পর সে পলাতক ছিল। খালেদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে আয়ের হিসাব পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতো এই মোহাম্মদ উল্লাহ। খালেদ মাহমুদের মালিকানাধীন ভূঁইয়া অ্যান্ড ভূঁইয়া ডেভেলপার লিমিটেডের জিএম হিসেবেও নিয়োজিত ছিল মোহাম্মদ উল্লাহ ।
মোস্তফা কামাল জানান, মোহাম্মদ উল্লাহকে ২৫ ডিসেম্বর আদালতে সোপর্দ করা হয়। সেখানে খালেদের টেন্ডারবাজিসহ যাবতীয় অপরাধলব্ধ আয়ের উৎস, গন্তব্য ও ব্যবহার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সে। এরপর ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।