আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে তেতুলিয়ায় ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এছাড়া ঢাকায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ৫, ময়মনসিংহে ৯ দশমিক ৪, চট্টগ্রামে ১৩ দশমিক ৫, সিলেটে ১২ দশমিক ৪, রাজশাহীতে ১০, রংপুরে আজ ৯ দশমিক ৫, খুলনায় ১৪ ও বরিশালে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে লঘুচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। এরমধ্যে যশোরে ৫ মিলিমিটার, গোপালগঞ্জে ১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া ঢাকা, ফরিদপুর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা ও মোংলায় সামান্য বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এখন যে রকম তাপমাত্রা আছে, তা সামান্য নামতে পারে। তবে যে এলাকাগুলোতে এখন মেঘ আছে, আগামীকালের পর তা পরিষ্কার হয়ে যাবে। সেসব এলাকায় তাপমাত্রা আরও নেমে যাবে। ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামে এখন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেশি আছে। যেহেতু মেঘ আছে। এখন মেঘটা কেটে গেলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কিছুটা নামবে। আর একটু কমে গেলে এই এলাকার কিছু কিছু জায়গায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। ফলে এখন যেমন মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, যশোর, নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলগুলোতে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে। এটা অব্যাহত থাকতে পারে। তার সঙ্গে নতুন করে এলাকা যোগ হতে পারে। অর্থাৎ মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহের এলাকা বিস্তার লাভ করতে পারে। আগামী পরশু অর্থাৎ ২৯ ডিসেম্বর থেকে শৈত্যপ্রবাহের এলাকা বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানায়, উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আবহাওয়ার ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগের দু এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্য এলাকাগুলোতে আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত সারাদেশে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে। ময়মনসিংহ, রাজশাহী, নওগাঁ ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলসহ রংপুর বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের উত্তরাঞ্চলের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং অন্য এলাকায় সামান্য বাড়তে পারে।