যৌক্তিক আন্দোলনে ছাত্রলীগ পাশে আছে: জয়

ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়যেখানেই কোনও বোন অত্যাচারের শিকার হবে সেখানেই প্রতিহতের আহ্বান জানিয়েছেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়াম খান জয়। তিনি বলেন, ‘ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মী সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে কাজ করে। এ ধারাবাহিকতায় আমরা যেকোনও যৌক্তিক আন্দোলন ও দাবির পক্ষে আছি। আমাদের আর কোনও বোন যেন নির্যাতনের শিকার না হয়, এটা নিশ্চিত করবেন। আপনারা যেখানেই দেখবেন আমাদের কোনও বোন অত্যাচারের শিকার হচ্ছে, সেখানেই তা প্রতিহত করবেন।

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার পর শিক্ষার্থী ধর্ষণের প্রতিবাদে সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে আয়োজিত অবরোধ, বিক্ষোভ কর্মসূচি ও মানববন্ধন পালনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। 

এসময় তিনি মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ও বুধবার (৮ জানুয়ারি) ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

এরআগে, বেলা ১১টা থেকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে জড়ো হতে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরা। রাজু ভাস্কর্যের সামনে একত্র হয়ে শিক্ষার্থীরা আমার সোনার বাংলায় ধর্ষকের ঠাঁই নাই; ধর্ষকের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন; ধর্ষকের কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও; ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই এমন স্লোগান দিতে থাকেন।

এসময় অনতিবিলম্বে ধর্ষকের বিচার দাবি করে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, এখন থেকে নিজের প্রতি খেয়াল রাখার পাশাপাশি প্রতিবেশীর দিকেও সব সময় সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। কোনও ধরনের সন্দেহমূলক আচরণ দেখলে তখনই প্রতিবাদ করতে হবে।

ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, মানুষরূপী জানোয়ারদের গ্রেফতার করতে হবে এবং কুর্মিটোলায় ঢাবি শিক্ষার্থীর ধর্ষণের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এ বিষয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, এই বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমরা পিছু হটবো না। আমরা অনিরাপত্তা বোধ করছি। প্রশাসনকে আমরা এ বিষয়ে জানিয়েছি যাতে অনতিবিলম্বে তাদের শনাক্ত করে শাস্তি দেওয়া হয়।

ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, গত রাতের ন্যাক্কারজনক ঘটনার বিচারের দাবিতে আজকের মানববন্ধন। এই ঘটনার বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত ঢাবি শিক্ষার্থীরা মাঠে থাকবে। বিচার নিশ্চিত না করে কেউ ঘরে ফিরে যাবে না।