দুই মামলাতেই সিগমা হুদা আসামি। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে পৌনে ৭ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের জনসংযোগ বিভাগ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
একটি মামলার এজাহারে বলা হয়, সিগমা হুদা ও অন্তরা সেলিম হুদা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ৩ লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড স্টার্লিয়ের সমপরিমাণ ৪ কোটি ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন। ওই টাকা দিয়ে ২০০৩ সালের ২৬ জুন লন্ডনের ওয়াটার গার্ডেনসের বারউড প্যালেসে একটি ফ্ল্যাট কেনেন তারা।
আরেক মামলার এজাহারে বলা হয়, সিগমা হুদা ও শ্রাবন্তী আমিনা হুদার ২ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড স্টার্লিংয়ের সমপরিমাণ ২ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা যুক্তরাজ্যে পাচার করেছেন। ওই টাকা দিয়ে ২০০৬ সালের ১২ ডিসেম্বর হেলনি কোর্টের ডেনহাম রোডে একটি ফ্ল্যাট কেনেন তারা।