বইমেলায় থাকছে চার স্তরের নিরাপত্তা

বইমেলার প্রস্তুতি পরিদর্শন করছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা.শফিকুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলা প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার এসব কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার বলেন, মেলা প্রাঙ্গণের ভেতরে ও বাইরে চার স্তরের নিরাপত্তার পাশাপাশি ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরা বসানো হয়েছে। মেলা ও আশপাশের সড়কগুলো সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ক্যামেরায় মনিটরিং করা হবে। এর আগে, বইমেলায় ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার পর থেকে আমার সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। 

বইমেলার প্রস্তুতি পরিদর্শন করছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মেট্রোরেলের কাজ চলায় মেলায় আগতদের সুষ্ঠুভাবে চলাফেরা নিশ্চিতে একটু কষ্ট হবে। টিএসসি ও দোয়েল চত্বর দিয়ে মেলায় প্রবেশ করা যাবে। সবাইকে আর্চওয়ে দিয়ে প্রবেশ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করবে। তল্লাশিতে নারী ও পুরুষদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। ডিএমপি ও সিটি এসবির সদস্যরা সাদা পোশাকে মেলা ও আশপাশে এলাকায় অবস্থান করবেন। মেলা প্রাঙ্গণের ভেতরে পুলিশ সদস্যরা মোটরসাইকেল দিয়ে টহল দেবে।

সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন বই নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কীভাবে কাজ করবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, এটি অনেক কঠিন কাজ। আমরা বাংলা একাডেমীকেও অনুরোধ করেছি এমন বই প্রকাশের বিষয়ে যেন তারাও সতর্ক থাকেন। প্রতিটা বই বাংলা একাডেমী অথবা পুলিশ পড়ে দিতে পারলে ভালো হতো। তবে সে সুযোগ নেই। আমরা চাই না, বই পড়ে মানুষ মনে আঘাত পাক কিংবা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হোক। এ ধরনের কোনও বই প্রকাশ হলে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা বাংলা একাডেমীর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বরারবই বইমেলা প্রাঙ্গণে ধুলার দূষণ দেখা দেয়। এর জন্য যাদের শ্বাসকষ্ট রয়েছে তারা নিজেদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।