প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতি করে ভর্তির দায়ে গত ৩০ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে ওই ৬৩ শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বহিষ্কারের পরও তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের বৈঠকে ওই শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়। সে সময় বহিষ্কৃতদের নাম-পরিচয় জানতে চাইলে প্রক্টর ড. একেএম গোলাম রব্বানীকে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, সিন্ডিকেটে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কারের পর তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে।
ডাকসু সদস্য তানভীর হাসান সৈকত বলেন, বহিষ্কৃতদের নাম প্রকাশে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান বলার পরেও প্রক্টর বহিষ্কৃতের নাম প্রকাশ করেননি। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাকে ধিক্কার জানিয়েছেন। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সন্দেহের দানাও বেঁধেছে এবং শিক্ষার্থীরা সরিষার ভেতরে ভূত দেখতে পাচ্ছেন। আগামী ৫ দিনের মধ্যে বহিষ্কৃতদের নাম প্রকাশ না করা হলে প্রয়োজনে শিক্ষার্থীরা প্রক্টর অফিসে তালা ঝোলাতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
আরও পড়ুন...