বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না। দুদকের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. খুরশীদ আলম খান। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী আবদুল মতিন খসরু ও এম কে রহমান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, অগ্রণী ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখা থেকে মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্সের নামে জামানত ছাড়া ঋণ বাবদ ১৫৫ কোটি ৪৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। ওই টাকায় বিদেশ থেকে মালামাল এনে বিক্রি করা হলেও ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করা হয়নি। পরে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের উপপরিচালক মো. সামছুল আলম বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে ২০১৮ সালের ১৬ মে মামলা দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন— মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শামসুল আলম, পরিচালক মো. নুরুল আলম, চেয়ারম্যান মো. নুরুল আফসার, পরিচালক জয়নাব বেগম (ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বোন), পরিচালক কামরুন নাহার (ব্যবস্থাপনা পরিচালকের স্ত্রী),পরিচালক তাহমিনা বেগম (ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বোন),অগ্রণী ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখার উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আমিন,সাবেক সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. জোনায়েদ বাগদাদি,সাবেক সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার উদয় কুমার বিশ্বাস, মো. শাহজাদুল আলম ও ইয়াসমিন ফারুকী।
পরে শামসুল আলমের বিরুদ্ধে আরও একাধিক মামলা হয়। এর মধ্যে কোনও কোনও মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।
এক জামিন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, সেই মর্মে দুই সপ্তাহের রুল দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। সে রুল খারিজ করে বুধবার রায় ঘোষণা করলেন হাইকোর্ট।