২০১৫ সালের দেওয়া অষ্টম পে-স্কেল সংশোধন, গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ, বাজার চাহিদা অনুযায়ী ভাতা নির্ধারণসহ মোট আট দফা দাবি জানিয়েছে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম।
শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক পরিষদের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মচারীদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। কিন্তু আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত। তাই আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আট দফা দাবি তুলে ধরছি।’
সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরামের দাবিগুলো হলো— ২০১৫ সালে প্রদত্ত অষ্টম পে-স্কেল সংশোধনসহ গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য নির্ধারণ করা, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল ও ২০ শতাংশ ইনক্রিমেন্ট প্রদান, এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি বাস্তবায়ন, সব পদে পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড প্রদান ও ব্লক পোস্ট নিয়মিতকরণ, সব ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারণ, নিম্ন বেতন ভোগীদের জন্য ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত রেশন প্রদান ও শতভাগ পেনশন পূর্বের ন্যায় বহাল, সচিবালয়ের ন্যায় পদবি ও গ্রেড পরিবর্তন এবং কাজের ধরন ও পদ অনুযায়ী বেতন স্কেল প্রদান।
মানববন্ধনে সারাদেশ থেকে আগত ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।