বিবৃতিতে সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় সম্প্রতি নৌকা ডুবির ঘটনায় আরও কিছু রোহিঙ্গা শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে। হতাশা থেকে মুক্তি পেতে সাগর পাড়ি দিয়ে বিদেশ যেতে গিয়ে তারা এ দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এরপরও তাদের জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়ার ব্যাপারে জোরালো কোনও পদক্ষেপ আপাতত দেখা যাচ্ছে না। ভবিষ্যতের কোনও লক্ষ্য না থাকায়, রোহিঙ্গা শিশুরা হারিয়ে যাওয়া প্রজন্মে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার দুই বছরের বেশি সময় ধরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে উদারতার পরিচয় দিয়েছে। এরপরও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অস্তিত্বের জন্য রোহিঙ্গাদের মরিয়া ভাব প্রকট হয়ে উঠছে। আর তাই রোহিঙ্গা শিশুদের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের সঙ্গে সঙ্গে আনুষ্ঠানিক ও স্বীকৃত শিক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। রোহিঙ্গা শিশুরা মায়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর যেন তাদের শেখার ও বিকাশের পথ চলমান থাকে।
উল্লেখ্য, বঙ্গোপসাগর দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সেন্টমার্টিনের অদূরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ১৫ জনের লাশ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এর মধ্যে ১২ জন নারী ও তিনটি শিশু। আর ৭১ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের বরাত দিয়ে কোস্টগার্ড জানিয়েছে, ট্রলারে ১৩৮ জন ছিলেন। তারা রোহিঙ্গা ও উখিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা।